রাজগঞ্জে উন্নত জাতের পেয়ারা চাষে সফলতা অর্জনের সম্ভাবনা

50

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের চালুয়াহাটী ইউনিয়নের রত্নেশরপুর গ্রামের মোঃ নিছার আলী মোড়লের ছেলে কৃষক মোঃ লিয়াকত আলী উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করে সফলতা অর্জনের আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন৷ তিনি ৪৮ শতক পতিত জমিতে শুধু মাত্র থাই থ্রি জাতের পেয়ারা চাষ করে এ সফলতা অর্জনের সম্ভাবনা করছেন৷
কৃষক লিয়াকত আলী জানান, আমার এক আত্মীয় রবিউল ইসলামের কাজ থেকে পরামর্শ নিয়ে প্রথম বারের মত এই পেয়ারার চাষ শুরু করেছি মোবারকপুর মহা শ্বশ্মান মোড়ে৷ স্থানীয় এক ব্যাক্তির এক খন্ড (৪৮ শতক) জমি লিজ নিয়ে সেখানে ৬ শত চারা রোপন করেছি ৬ মাস হয়েছে৷ এরমধ্যে অনেক গাছে ফলও এসেছে৷ এছাড়া প্রায় সবগুলো গাছে ফুল ধরেছে৷ এখন শুধু ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত লিয়াকত আলী৷
তিনি আরো জানান, চারা রোপণের শুরু থেকে আবহাওয়া ভালো রয়েছে৷ এখন যেসব গাছে ফল ধরেছে, সেই ফলগুলো আগামী দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে বাজারে উঠানো যাবে বলে আশা করা যায়৷ বাজারে পেয়ার দামও মোটামুটি ভালো রয়েছে৷ এই জাতের পেয়ারা গাছে বারো মাস ফল ধরে৷ তবে এখনো কোনো কৃষি অফিসার আমার এই ক্ষেতে আসেনি৷ পেয়ারা গাছে ব্যবহার করা হচ্ছে তিন ধরনের সার৷ তাঁর মধ্যে রয়েছে, ফসফেট, পটাশ ও ড্যাব৷ পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা করতে প্রত্যেকটি ফল পলিথিনের প্যাকেটের মধ্যে রাখা হয়েছে৷
স্থানীয় ব্যবসায়ী খোদাবক্স বলেন, থাই জাতের এই পেয়ারা এর আগে এই এলাকায় কোনো ব্যাক্তি চাষ করেনি৷ লিয়াকত আলী এই প্রথম বারের মত উন্নত জাতের পেয়ারা চাষের পথ দেখিয়েছেন৷ তাঁর এই চাষ দেখে এলাকার বেকার যুবসমাজ এগিয়ে আসবে আশা করা যায়৷
এব্যাপারে স্থানীয় উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা এস এম মারুফুল ইসলাম বলেন, পরামর্শ দিয়েছি সঠিক নিয়মে সার, কীটনাশক দেওয়ার জন্য৷ ওখানকার মাটির গুনাগতমান বেশি ভালো না৷ তিনি আরো বলেন, প্রদর্শনি ছাড়া সার, কীটনাশক দেওয়ার বরাদ্দ আমাদের কাছে থাকে না৷ তবে, বিষয়টি আমি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানাবো৷