যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দু’ধারের ঝুঁকিপূর্ণ শতবর্ষী গাছগুলো পরিবেশবাদীদের কারণে ক্রমাগতই ভয়ানক হয়ে উঠেছে

21
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের শতবর্ষী গাছগুলো ক্রমাগতই ভয়ানক হয়ে উঠেছে

ঝিকরগাছা অফিস থেকে : যশোর-বেনাপোলের ৩৮ কিলোমিটার মহাসড়কের দু’ধারের ঝুঁকিপূর্ণ শতবর্ষী গাছগুলো পরিবেশবাদীদের কারণে ক্রমাগত ভয়ানক হয়ে উঠেছে। ঝুঁকিপূর্ণ শতবর্ষী গাছগুলো বয়সের ভারে অনেক ডালে পচন ধরে ডালপালা শুকিয়ে যাচ্ছে।

আর এগুলো ভেঙে নিচে পড়ে পথচারীরা হতাহতের শিকার হচ্ছেন। যশোর-বেনাপোলের মতো এমন হাইওয়ে ব্যস্ততম সড়কে সার্বণিক বিভিন্ন যানবাহনের অবাদ চলাচল ফলে এখানকার গাছগুলো দুর্বল হয়ে ডালপালা শুকিয়ে মারাত্বক ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মহাসড়কের পাশের অনেক গাছগুলোর গোড়ায় তেমন মাটি নেই। গাছেরও মোটা মোটা ডাল শুকিয়ে মানুষের মনে ভয়ানক ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।

ইতোমধ্যে এসব গাছের বেশ কিছু মোটা ডালপালা শুকিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ব্রিটিশ আমলের গাছগুলোর কাটা এবং না কাটা নিয়ে বিভিন্ন তর্কবিতর্ক হলেও এখনো পর্যন্ত কোন সঠিক সিদ্ধান্তের খবর সাধারণ মানুষের কানে না আসলেও গাছ কাটার পে আছে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের কোটি কোটি জনগন।

পরিবেশবাদীদের তীব্র আন্দোলনের কারনে আমাদের যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের কাজ ছয় লেন না করে গাছ রেখেই শুধু সংস্কার করা হচ্ছে। এই অঞ্চলের বাসিন্দা সহ পুরো দেশ কিন্তু এইটার জন্য তিগ্রস্থ হবে সেইটা সময় হলেই বুঝতে পারবেন। তবে এখন বড় যন্ত্রনা সামান্য ঝড়েই বিশাল গাছ ভেঙে পড়ছে, রোড সংস্কারের সময় গাছের বড় শেকড় কেটে যাওয়ার কারণে অনেক গাছ দাঁড়িয়ে না থাকতে পেরে অলরেডি উপড়ে গেছে। এই রোডে চলাচল করা এখন যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ সেইটা ভুক্তভোগীরাই জানে।

যেসব পরিবেশবাদীরা শতবর্ষী গাছ গুলোকে পুঁজি করে যশোর অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনের কাল হয়ে আছেন তারা কি দেখতে বা শুনতে পাননি যে, যশোর খুলনা মহাসড়কের হাজার হাজার যুবতী গাছ যখন কেটে ফেলা হলো,গাজীপুরের ভাওয়াল গড়ের গাছ কেটে ইপিজেড আর রাস্তা করা হলো, ঢাকা সিলেট মহাসড়ক নির্মাণের প্রয়োজনে গাছ মেরে সাফ করা হলো, রোহিঙ্গারা প্রতিদিন পাহাড়ের গাছ কেটে সাফ করে ফেলছে এসব প্রসঙ্গেতো আপনাদের কোন বক্তব্য দেখিনা। আপনারা এখনে বোঝেননা যে মানুষের প্রয়োজনে গাছ। গাছের জন্য মানুষ নয়।

যারা পরিবেশের প্রতি মমতা দেখিয়ে শতবর্ষী গাছ কাটার বিপে অবস্থান করছেন তারা যদি একবার এই রোডে ভিজিট করেন তাহলে তারা রাস্তার দু’ধারে শতবর্ষী গাছগুলো জন্য ছয় লেনের রাস্তা হলো না। এই গাছের জন্য যদি কোন পরিবেশবাদীদের নিকটতম মানুষের জীবন প্রদ্বীপ নিভে যায়। তাহলে আপনাদের মনের শান্তনা দিবেন কি ভাবে? ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও গাছের ডাল কাটার জন্য যশোর জেলা প্রশাসক এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ খুব তাড়াতাড়ি এ ব্যাপারে পদপে গ্রহণ করে এই রোড দিয়ে চলাচলকারী মানুষদের প্রাণের দাবি ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো অন্তত অপসরণ করার দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।