ভাবীকে হত্যার দায়ে দেবরের ফাঁসি

8

 সোনালী ডেস্ক :  রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে সায়েরা খাতুন আলো নামের এক নারীকে হত্যার দায়ে তার দেবর রাব্বি হোসেন মনাকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ রবিবার ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান পারিবারিক বিরোধের জের ধরে চার বছর আগের এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাব্বি পল্লবীর ‘নন লোকাল রিলিফ ক্যাম্পের’ ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, সায়েরা খাতুন আলো তার স্বামী সোহেলকে নিয়ে পল্লবীর এক বাসায় ভাড়া থাকতেন। আলো সেলাইয়ের কাজ করতেন। তার দেবর রাব্বি ওই বাসতেই থাকতেন। কাজকর্ম না থাকায় রাব্বির কোনো আয় রোজগার ছিল না। এ নিয়ে ভাবীর সঙ্গে প্রায়ই তার ঝগড়াঝাটি হত। আলো তার বন্ধক রাখা একটি সোনার চেইন ফেরত আনার জন্য ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ২০ হাজার টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হন। নিরাপত্তার কথা ভেবে রাব্বিকেও তিনি সঙ্গে নিয়ে যান।

এরপরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পল্লবীর আব্বাস উদ্দিন স্কুলের ঢালে আলোর লাশ পাওয়া যায়।

তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় আলোর ভাই মো. শাহজালাল থানায় মামলা করলে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাব্বি পরে ভাবীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে পল্লবী থানার এসআই আবদুল বাতেন ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ওই বছরের ১৫ জুলাই অভিযোগ গঠন করে রাব্বির বিচার শুরু করে আদালত। বাদীপক্ষে মোট সাতজনের সাক্ষ্য শুনে আজ রবিবার বিচারক এ মামলার এ রায় দেন বলে জানান ওই আদালতের পেশকার আবুল কালাম আজাদ।