বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ রাকিব হাসান শাওন কাজ করতে চান সকলকে নিয়ে

122

সোনালী দিন ডেক্স : আবারও দেশ জুড়ে নির্বাচন এর আমেজ। এই নির্বাচন উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন। দেশের প্রতিটি উপজেলাতেই পর্যায়ক্রমে হবে এই নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে নিয়েই প্রতিটি যায়গাতেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন। উপজেলা নির্বাচন সাধারণ মানুষদের কাছে একটু বেশিই গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের মাধমেই সাধারণ মানুষ তাদের মধ্য থেকে একজন প্রতিনিধি তৈরী করে থাকেন। যে প্রতিনিধির কাছে নিজেদের কথা সহজে-স্বাভাভিকভাবে বলতে পারবেন সবাই। একজন উপজেলা প্রতিনিধি নির্বাচিত হন সাধারণ নেতাকর্মী ও সমাজের মধ্যে থাকা সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সামাজিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন বেক্তিদের মধ্য থেকে। যারা কাছে যেতে লাগে না কোন প্রোটোকল, থাকে না ভয়-ভিতি, কারণ, তিনি মাঠ পর্যায়ের একজন মানুষ। যিনি সবসময় মিশেছেন সকলের সাথে, থেকেছেন সবসময় সকলের পাশে। উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি কাজ করে স্থানীয় সমাজ ব্যবস্থা ও প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষদের জন্য। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এই উপজেলা নির্বাচন সাধারণ মানুষদের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ নিজেদের জন্য।

বর্তমানে দেশের প্রতিটি উপজেলার ন্যায় যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাচন নিয়েও চলছে জোর গুঞ্জন। কাকে বা কাদের বানাবেন আগামী দিনের উপজেলার প্রতিনিধি। কাদের কাছে গেলে সহজেই মিলবে সব সমস্যার সমাধান। কে করবেন সমাজের ও সাধারণ জনগণের জন্য্য সঠিক কাজ। পূর্বের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কর্মকান্ড ও নতুনদের নিয়ে চলছে বিচার বিশ্লেষণ। এই বিচার বিশ্লেষণে বড় ভূমিকা রাখছে নবগঠিত নতুন মন্ত্রীপরিষদ। যেখানে দেশ পরিচালনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদে এনেছেন নতুনত্য, তাই স্বাভাভিকভাবেই এই বিচার বিশ্লেষণে সাধারণ জনগণের নতুনদের প্রতি থাকেছে একটু বাড়তি আগ্রহ। তারিই ধারাবাহিকতায় বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাচনে বর্তমানে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন অনেকেই। তাদের মধ্য থেকে একটি নাম সর্বমহলে বর্তমানে আলোচনাতে এসেছে তিনি হলেন, মোঃ রাকিব হাসান শাওন। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে দলীয় মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

মোঃ রাকিব হাসান শাওন সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, মোঃ রাকিব হোসেন শাওন অত্যন্ত কর্মঠ একজন ছেলে। সে উচ্চশিক্ষিত এলাকার একজন ভাল ছাত্র। বর্তমানে সে ব্যবসায়ী হিসেবে সফলতা অর্জনও করেছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে তাকে সম্পৃক্ত হতে দেখা গিয়েছে। এলাকার অনেক অসহায়ের পাশেও দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন সময়। সে খুব সদালাপী ও ভদ্র হিসেবেই এলাকার সকলের কাছেই খুবই প্রিয় একটি ছেলে। তার মত একটি ছেলে রাজনীতিতে আসাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে সবাই। মোঃ রাকিব হোসেন শাওন যদি নির্বাচিত হয়, তা হলে স্থানীয়রা সবসময় তাকে পাশে পাবে বলে আশা করেন।

মোঃ রাকিব হাসান শাওনের কাছে রাজনীতি ও উপজেলা নির্বাচনে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি রাজনীতিতে নতুন করে আসি নাই। আমার পরিবারই রাজনৈতিক পরিবার। আমার পরিবারের সকলেই এলাকাতে দির্ঘদিন ধরে সু-নামের সহিত বসবাস করে আসছে। এলাকার মানুষের আমাদের পরিবারের প্রতি রয়েছে আলাদা এক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। এই ভালোবাসাই আমাকে ছোটবেলা থেকেই মানুষের পাশে থাকার অনুপ্রেরণা যুগিয়ে এসেছে। তারিই ধারাবাহিকতায় আমি নিজেকে গড়ে তুলার চেষ্টা করছি। চেষ্টা করেছি নিজেকে সমাজের সকল প্রকার অনৈতিক কর্মকা- থেকে দূরে রাখতে ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে, অসহায়ের পাশে থাকতে। তবে পরিবারের অভিভাবকদের নির্দেশে আমি প্রথমে নিজের শিক্ষাক্ষেত্রে মনোনিবেশ করি এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সাল থেকে নিজে সরাসরি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সাথে অংশগ্রহণ করি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার প্রাণের সংগঠন। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। বঙ্গবন্ধু যেমন আমাদের স্বাধীনতার কান্ডারী ঠিক তেমনি আমিও তার আদর্শ ও নির্দেশকে বুকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। তবে এই সোনার বাংলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এলাকার সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন। আমি একা কখোনোই পারো না যদি সাধারণ জনগণ আমার সাথে না থাকে। আর আমার উপজেলা নির্বাচনে আসার কারণও একই। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই আমি আমার এলাকার সকলকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার একটি উপজেলা হিসেবে বাঘারপাড়াকে গড়ে তুলতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায়। আর এই নির্বাচনে আসার ক্ষেত্রে আমাকে সর্বাধিক অনুপ্রাণিত করেছে এলাকাবাসী। এটিই আমার জন্য উপযুক্ত একটি ক্ষেত্র, সকলকে সাথে নিয়ে এক হয়ে কাজ করার। আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে এলাকাবাসীর সেবা করব এবং আমি আমার পরিবারের প্রতি এলাকাবাসীর যে অকুণ্ঠ ভালোবাসা তা ধরে রাখব।

 

মোঃ রাকিব হোসেন শাওনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি : পিতা মোঃ ফজের আলী মোল্যা (ব্যবসায়ী ) মাতা: মনিরা বেগম। (গৃহিণী ) স্ত্রী : সেঁজুতি পারভীন মুক্তি। জন্ম ০১॥০৮॥১৯৯৩ সালে। তিনি এস,এস, সি পাশ করেন ২০০৭ সালে।। এইচএসসি ২০০৯ সালে। সম্মান পাশ করেন ২০১৪ ইতিহাস বিভাগ থেকে এবং মাস্টার্স ২০১৬ সালে একই বিভাগ থেকে। । তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ।